• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ‘এবি কিং’-এর অভিষেক, উঠল দেড় কোটি টাকার অনুদান জায়েদ খানের পাঠানো ১০ হাজার টাকা নিলেন না রিফাত চৌধুরী হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছ অবরোধের পর লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন ফের চালু নতুন যুদ্ধ হলে ভারত মহাসাগরেও মার্কিন জাহাজে হামলার হুমকি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রে নতুন জোড়া পান্ডা পাঠাল চীন পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১২ দুপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, বাড়তে পারে ঢাকার গরম রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও মালপত্র লুটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, স্থানীয় কয়েকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় প্রতিশোধ হিসেবে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা স্টুডিওর সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার সময় ঢাকায় ছিলেন না সালমান মুক্তাদির। খবর পেয়ে পরে তিনি ঘটনাস্থলে এসে স্টুডিও পরিদর্শন করেন। এরপর ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন। স্টুডিওর এক কর্মকর্তা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন হঠাৎ স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। এ সময় হামলাকারীদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, হামলাকারীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্টুডিওতে থাকা কর্মীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্টুডিওর বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়। এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরে একটি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ইসিবিতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ২

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৬

তুলি আক্তার / ৩৪ Time View
Update : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৪০টি মামলা হয়েছে। অভিযানে মাদকদ্রব্য, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার এবং একজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৪৩ জন, লালবাগে ৫২, ওয়ারীতে ৫২, মতিঝিলে ৬৮, তেজগাঁওয়ে ৯৯, মিরপুরে ১১৪, গুলশানে ৩৭, উত্তরা বিভাগে ৩৮ জন রয়েছেন। এ ছাড়া গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

অভিযানকালে ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ হাজার ৩১৪ পিস ইয়াবা, দুটি সুইচ গিয়ার, একটি ব্যানার, ছয়টি মুখোশ, ১১টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৫ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একজন ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
গ্রেফতার কৃত যুবক

রাজধানীর মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার যুবলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসম্পাদক মোতাহার হোসেন খান সুফল ও আবু জাফর মোল্লাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিদ্দিক আজাদ এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী শামীম আল সোহাগ সাইফুল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সুফল যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ছোট ভাই। পুলিশের প্রতিবেদনে তাকে যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসম্পাদক এবং মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য আসামি আবু জাফরকে যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সক্রিয় কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন। আদালতে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মিরপুর-১ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের ওভারব্রিজের নিচে টেকনিক্যালগামী অভিজাত পরিবহনের একটি বাসে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে বাসটির পেছনের কয়েকটি সিট, ফ্যানসহ বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। ওই সময় বাসে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী দ্রুত নেমে নিজেদের রক্ষা করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা কয়েকজন বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে দারুসসালাম ও শাহ আলী মাজারের দিকে চলে যায়। অগ্নিসংযোগের শিকার বাসটি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সুফলের হুকুম ও প্ররোচনা এবং অন্য আসামিদের যোগসাজশের তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কেউ অর্থের জোগান, কেউ ষড়যন্ত্র এবং কেউ সরাসরি ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর মডেল থানার ৬০ ফিট ভাঙ্গাব্রিজ এলাকা থেকে সুফলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে মিরপুর-১ নম্বর গোলচত্বর এলাকা থেকে আবু জাফরকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে সুফলের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে মিরপুর মডেল থানায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। এসব মামলায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক দ্রব্য ও মারামারিসহ বিভিন্ন ধারার অভিযোগ রয়েছে। একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায়ও সুফল এজাহারভুক্ত ও তদন্তে পাওয়া আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। জামিনে মুক্তি পেলে তারা পলাতক হয়ে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এ মামলায় আরও ৪০ থেকে ৫০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও মালপত্র লুটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, স্থানীয় কয়েকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় প্রতিশোধ হিসেবে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা স্টুডিওর সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার সময় ঢাকায় ছিলেন না সালমান মুক্তাদির। খবর পেয়ে পরে তিনি ঘটনাস্থলে এসে স্টুডিও পরিদর্শন করেন। এরপর ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন। স্টুডিওর এক কর্মকর্তা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন হঠাৎ স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। এ সময় হামলাকারীদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, হামলাকারীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্টুডিওতে থাকা কর্মীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্টুডিওর বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়। এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরে একটি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।