• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
টিম্বারকে বিশ্রাম, ইপ্সউইচের বিপক্ষে আর্সেনালের দারুণ জয় সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ পর্তুগালে শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্সে নতুন শর্ত পূর্ণিমার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, বয়স যেন শুধুই সংখ্যা ঘুমাতে গেলেই দুশ্চিন্তা? যেভাবে কাটাবেন ‘স্লিপ অ্যাংজাইটি’ শিরোনাম: সুদমুক্ত সহায়তার মহৎ শিক্ষা কর্জে হাসানা ‘চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং গণেশ উৎসবে দিশার পোশাক ঘিরে বিতর্ক, উঠল ড্রেস কোডের প্রশ্ন

কালিগঞ্জে সরকারি জমিতে অবৈধ নির্মাণ, এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি / ১৪৩ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নাকের ডগায় নাজিমগঞ্জ বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সরকারি পেরি পেরিভুক্ত জায়গায় অবৈধ ভাবে রাতারাতি পর্দায় ঘিরে ঘোমটা দিয়ে ভবনের ছাদ নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউএনও বললেন সাংবাদিকরা কি করে দেখেনা, লেখেনা ? খবর প্রকাশে ইউএনওর বদলির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রেট বাড়িয়ে রফিকুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদারের নিকট হতে এসিল্যান্ড মাঈনুল ইসলাম খানকে দু,লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে পর্দা সরিয়ে ভবনে শাটার লাগানো কে কেন্দ্র করে নাজিমগঞ্জ বাজার জুড়ে চলছে নানান গুঞ্জন, আলোচনা সমালোচনার ঝড়। বাজার ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সরকারি খাস পেরি পেরিভুক্ত একই জায়গায় অবৈধ ভাবে ভবনের ছাঁদ নির্মাণ করায় কাউকে জেলে যেতে হয়, আবার কেউ ঘুষ দিয়ে পুরস্কার স্বরূপ শাটার লাগানোর সুযোগসহ দ্বিতল ভবন নির্মাণের সুযোগ পায় এটা কি করে সম্ভব। ঘুষ বাণিজ্যে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের ভবন, দোকানঘর নির্মাণের দ্বিমুখী আচরণ নিয়ে এসিল্যান্ডের (সহকারী কমিশনারের (ভূমি)) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সচেতন মহল। এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাঈনুল ইসলাম খানের নিকট এপ্রতিনিধি জানতে চাইলে অবৈধ ভবন অপসারণের জন্য ভেকু না পাওয়ার দোহাই দেন। পরে তিনি জেলা প্রশাসনকে জানিয়ে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ঘুষ বাণিজ্যে শাটার লাগানোর সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ করেন বাজারের অনেক ব্যবসায়ী। ঘুষ বাণিজ্যের প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে অবৈধ ভবন নির্মাণের হিড়িক পড়ে গেছে। উপজেলা পরিষদ থেকে ৩,শ,গজ দূরে নাজিমগঞ্জ বাজারে সরকারি পেরি পেরিভুক্ত খাস জায়গায় অনুমোদন ছাড়া ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের ৩ টি সেমি পাকা দোকান ঘর ছিল। উক্ত দোকান ঘরে শুক্রবারের ছুটিকে পুঁজি করে গত ২৯-০১-২৬ ইং তারিখে পর্দা টানিয়ে রাতারাতি ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করে। বিষয়টি নিয়ে হইচই পড়ে গেলে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুজা মন্ডল অবৈধ ভবন অপসারণের জন্য এসিল্যান্ডকে নির্দেশ দেন। এরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদলি হওয়ার সুযোগকে পুঁজি করে মোটা অংকের ঘুষ তদবিরে অপসারণ না করে বহাল তবিয়াদে শাটার লাগিয়ে দ্বিতীয় তলার কাজ শুরু করে। বিষয়টি সাংবাদিকরা জানালে দিতাল ভবনের কাজ বন্ধ করে দেন এসিল্যান্ড। এর আগে একই স্থানের সামনে অবৈধভাবে রাতারাতি কাজী সু-স্টোরের ছাদ নির্মাণ করায় ভবন মালিক কাজী বাদশাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুজা মন্ডল ৭ দিনের সাজা দিয়ে জেলে পাঠায়। এর আগে নাজিমগঞ্জ বাজারে সাইদুর বস্ত্রালয়ের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করতে গেলে গত ৩/১২/২৪ ইং তারিখে তৎকালীন এসিল্যান্ড ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত কুমার বিশ্বাসের উপর হামলার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা ও তিন জনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। পরে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুজা মন্ডলের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী নিয়ে অবৈধ ভবন ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রকাশ্যে বাজারে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে। এসিল্যান্ড কালিগঞ্জ উপজেলায় যোগদান করার পর থেকেই তার এবং তার অফিসের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানাবিধ ঘুষ ,দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারালি ইউনিয়নের সদর ভূমি অফিসের তহশীলদার রেজাউল ইসলাম রতনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে থাকাকালীন ডিসিআরের নামে অন্ধ প্যারালাইজ রমেশচন্দ্র বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির নিকট থেকে ২৫ হাজার এবং ৩৪ শতক জমির খাজনা বাবদ ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করলে এসিল্যান্ড ভুক্তভোগীদের অফিস থেকে তাড়িয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে গোপনে তাদের কিছু টাকা ফেরত দিলেও দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এছাড়াও জয়পত্র কাটি ভূমি অফিসে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদের আকস্মিক পরিদর্শনে অফিসে কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী না পাওয়ায় উল্টো দোষারোপ করে মাস্টার রোলের এক মহিলা ঝাড়ুদার কর্মীকে উপস্থিত থাকার দায়ে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরে তার জায়গায় ঘুষ নিয়ে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এইভাবে চলছে কালিগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস। বিষয়গুলো তদন্তপূর্বক জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন উপজেলা বাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category