• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
টিম্বারকে বিশ্রাম, ইপ্সউইচের বিপক্ষে আর্সেনালের দারুণ জয় সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ পর্তুগালে শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্সে নতুন শর্ত পূর্ণিমার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, বয়স যেন শুধুই সংখ্যা ঘুমাতে গেলেই দুশ্চিন্তা? যেভাবে কাটাবেন ‘স্লিপ অ্যাংজাইটি’ শিরোনাম: সুদমুক্ত সহায়তার মহৎ শিক্ষা কর্জে হাসানা ‘চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং গণেশ উৎসবে দিশার পোশাক ঘিরে বিতর্ক, উঠল ড্রেস কোডের প্রশ্ন

লালদিয়া টার্মিনাল বন্দরের সক্ষমতা ২৩% বাড়ানোর পরিকল্পনা এপিএম টার্মিনালসের

নিশাত  ইসলাম / ১৭ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

ট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের প্রস্তাবিত নকশা (লেআউট) ও পরিচালনার রূপরেখা প্রকাশ করেছে এপিএম টার্মিনালস। একই সঙ্গে চলতি ২০২৬ সালের শেষের দিকেই ৫৫০ মিলিয়ন (৫৫ কোটি) ডলারের এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করেছে আন্তর্জাতিক এই টার্মিনাল পরিচালনা প্রতিষ্ঠানটি।

নির্মাণকাজ শেষ হলে এটিই হবে শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম কনটেইনার টার্মিনাল।

বছরে ৮ লাখ টিইইউস (টুয়েন্টি ফুট ইকুইভ্যালেন্ট) কনটেইনার পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে টার্মিনালটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ২৩ শতাংশ বাড়বে। এতে বন্দরের দীর্ঘদিনের জাহাজজট কমার পাশাপাশি সার্বিক কার্যক্রমে গতি আসবে এবং ব্যবসায়ের লজিস্টিকস খরচ অনেকটাই কমে আসবে আশা বন্দর ব্যবহারকারীদের। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রণীত এই নকশা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনা দেশের সমুদ্রবন্দরভিত্তিক লজিস্টিকস অবকাঠামো প্রসারে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

বর্তমানে গভীরতার সীমাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে বড় মেইনলাইন কনটেইনার জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারে না। ফলে রপ্তানি বা আমদানির সিংহভাগ পণ্যই ছোট ফিডার জাহাজে করে কলম্বো, সিঙ্গাপুর বা পোর্ট ক্লাংয়ের মতো আঞ্চলিক হাবগুলোতে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে মূল গন্তব্যে যায়। এর ফলে প্রতি চালানে অতিরিক্ত ৭ থেকে ১৪ দিন সময় অপচয় হয়।

এপিএম টার্মিনাল সূত্র জানিয়েছে, ছোট ফিডার জাহাজের ওপর এই অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে একই পণ্য একাধিকবার ওঠানো-নামানোর প্রয়োজন পড়ে।

এতে লজিস্টিকস ব্যয় যেমন বাড়ে, তেমনি পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে দেখা দেয় অনিশ্চয়তা।প্রস্তাবিত লালদিয়া টার্মিনালটি চালু হলে প্রায় ৬ হাজার টিইইউস ধারণক্ষমতার মেইনলাইন কনটেইনার জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারবে। ফলে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বড় সমুদ্রপথের মেইনলাইন জাহাজগুলো সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করতে সক্ষম হবে। এটি ট্রানজিট সময় এবং সামগ্রিক পরিবহন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সরাসরি জাহাজ চলাচলের এই সুযোগ তৈরি হলে দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্প বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরণের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবে।

পাশাপাশি ওষুধ, চামড়া ও পাদুকা শিল্পসহ অন্যান্য উদীয়মান রপ্তান খাতও এই আধুনিক টার্মিনাল সুবিধা থেকে সরাসরি সুফল পাবে।এপিএম টার্মিনালস লালদিয়ার সিইও রমেশ ডেভিড জানিয়েছেন, লালদিয়া টার্মিনালের নকশা পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় সরকারি ও রেগুলেটরি অনুমোদন সাপেক্ষে ২০২৬ সালের শেষের দিকে এর নির্মাণকাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, এপিএম টার্মিনালস বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৬০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক বন্দর ও কনটেইনার টার্মিনাল সফলতার সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে।

নিশাত ইসলাম / অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category