• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন হাফিজুল্লাহ খান দুর্যোগে পাশে থাকার অঙ্গীকার হাতিয়ার ৩০ স্বেচ্ছাসেবকের নোয়াখালীতে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষকের এক বিদ্যালয়ের ৫০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি গঠন টিম্বারকে বিশ্রাম, ইপ্সউইচের বিপক্ষে আর্সেনালের দারুণ জয় সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ পর্তুগালে শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্সে নতুন শর্ত পূর্ণিমার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, বয়স যেন শুধুই সংখ্যা

ঘুমাতে গেলেই দুশ্চিন্তা? যেভাবে কাটাবেন ‘স্লিপ অ্যাংজাইটি’

তুলি আক্তার / ৫ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রাতে তাড়াতাড়ি বিছানায় গেলেও ঘুম আসছে না। এপাশ-ওপাশ করতে করতে একসময় মোবাইলে সময় দেখছেন। মনে হচ্ছে, এখন ঘুমালে হয়তো ছয় ঘণ্টা ঘুম হবে, কিছুক্ষণ পর সেটি কমে দাঁড়াবে পাঁচ ঘণ্টায়। ঘুমের সময় যত কমতে থাকে, ততই বাড়তে থাকে দুশ্চিন্তা। আর এই উদ্বেগই অনেক সময় ঘুমকে আরও দূরে সরিয়ে দেয়।

চিকিৎসকেরা ঘুম নিয়ে এমন অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাকে ‘স্লিপ অ্যাংজাইটি’ বা ঘুমের উদ্বেগ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এ ধরনের উদ্বেগে ঘুমানোর চেষ্টা অনেক সময় উল্টো ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বাধা তৈরি করতে পারে।

অ্যানেসথেশিওলজিস্ট ও ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন চিকিৎসক ডা. কুনাল সুদ এক ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, ঘুমানোর আগে কত ঘণ্টা সময় বাকি রয়েছে, তা বারবার হিসাব করা মস্তিষ্ককে শান্ত করার বদলে আরও সজাগ করে তুলতে পারে।

ঘুম না আসায় হতাশা বাড়ার সঙ্গে শরীর ও মস্তিষ্কে অতিরিক্ত সতর্কতা তৈরি হয়। ফলে ঘুমানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ে। অর্থাৎ, ঘুমানোর জন্য যত বেশি চেষ্টা করা হয়, অনেক সময় ঘুম ততই দূরে সরে যায়।

ঘুমের উদ্বেগ কমাতে রাতে বারবার ঘড়ি বা মোবাইলের স্ক্রিন দেখা বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি বা বডি ক্লক ঠিক রাখতে সহায়তা করতে পারে।

সকালে কিছু সময় প্রাকৃতিক আলো ও বাতাসে থাকাও ঘুম ও জাগরণের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। এ ছাড়া ঘুমানোর অন্তত আট ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন গ্রহণ বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চা, কফি ও এনার্জি ড্রিংকের মতো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়ও এর মধ্যে পড়ে।

দীর্ঘ সময় বিছানায় শুয়ে থেকেও ঘুম না এলে উঠে কম আলোতে শান্ত কোনো কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। ঘুমঘুম ভাব ফিরে এলে আবার বিছানায় যেতে বলা হয়েছে। শুধু নির্দিষ্ট সময় হয়েছে বলে বিছানায় যাওয়ার পরিবর্তে ঘুমের অনুভূতি তৈরি হলে ঘুমাতে যাওয়াও উপকারী হতে পারে।

তবে ঘুমের সমস্যা নিয়মিত বা দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু অভ্যাস পরিবর্তন করেই সমাধান নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দীর্ঘস্থায়ী অনিদ্রার ক্ষেত্রে ‘কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি ফর ইনসমনিয়া’ বা CBT-I প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে বিবেচিত হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যক্তিগত চিকিৎসার বিকল্প নয়। দীর্ঘদিন ঘুমের সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা ঘুম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

তুলি আক্তার/অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category