• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
টিম্বারকে বিশ্রাম, ইপ্সউইচের বিপক্ষে আর্সেনালের দারুণ জয় সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ পর্তুগালে শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্সে নতুন শর্ত পূর্ণিমার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, বয়স যেন শুধুই সংখ্যা ঘুমাতে গেলেই দুশ্চিন্তা? যেভাবে কাটাবেন ‘স্লিপ অ্যাংজাইটি’ শিরোনাম: সুদমুক্ত সহায়তার মহৎ শিক্ষা কর্জে হাসানা ‘চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং গণেশ উৎসবে দিশার পোশাক ঘিরে বিতর্ক, উঠল ড্রেস কোডের প্রশ্ন

সবজির বাজার চড়া, কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা

নিশাত  ইসলাম / ২৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

রাজধানীর সবজির বাজারগুলোতে ফের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বেশির ভাগ সবজির দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

এর মধ্যে বেশি উত্তাপ ছড়াচ্ছে কাঁচা মরিচ। এ ছাড়া পেঁয়াজ, মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামও চড়া।শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দামের এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৮০ টাকায়, টমেটো কেজিপ্রতি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১৪০ টাকা।

পটোল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল ও ঝিঙা মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ২২০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়, চালকুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস এবং কেপসিকাম ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাঁটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ওজনভেদে রুই মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা ও টেংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। তবে রূপচাঁদা, বড় আকারের শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে ক্রেতাকে হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে। পাশাপাশি ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৩২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।

এদিকে ডিমের বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

নিশাত ইসলাম / অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category