• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
টিম্বারকে বিশ্রাম, ইপ্সউইচের বিপক্ষে আর্সেনালের দারুণ জয় সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ পর্তুগালে শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্সে নতুন শর্ত পূর্ণিমার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, বয়স যেন শুধুই সংখ্যা ঘুমাতে গেলেই দুশ্চিন্তা? যেভাবে কাটাবেন ‘স্লিপ অ্যাংজাইটি’ শিরোনাম: সুদমুক্ত সহায়তার মহৎ শিক্ষা কর্জে হাসানা ‘চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং গণেশ উৎসবে দিশার পোশাক ঘিরে বিতর্ক, উঠল ড্রেস কোডের প্রশ্ন

মধুমতির ভাঙনে বিলীন সড়ক, দুর্ভোগে ১০ হাজার মানুষ

সাদিয়া পারভিন / ৪৫ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

র্ষা মৌসুম আসলেই মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। আর এর সঙ্গে বাড়ে নদীভাঙন।

প্রতিবছরের মতো এবারও নদীর তীব্র স্রোতে ভেঙে যাচ্ছে দুই তীরের সড়ক, বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা।

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাতের পর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের দেউলি, যশোবন্তপুর, কিলীশংপুর ও ঝামা এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এতে কয়েকটি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে স্রোতও বেড়েছে।

এর ফলে সড়কের প্রায় ৫০ ফুট অংশ ধসে গেছে। কোথাও পাকা সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ।
 
ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।মহম্মদপুর উপজেলার বাসিন্দা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, দেউলি, ঝামা, যশোবন্তপুর, বনগ্রাম ও আদর্শগ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করেন।

সড়কটি ভেঙে সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় এখন যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দেউলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঝামা বরকাতুল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন এই সড়ক দিয়েই যাতায়াত করে।

তিনি বলেন, দ্রুত সংস্কার না করা হলে উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থা আরও বিপর্যস্ত হবে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই এ সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।

ঝামা গ্রামের বাসিন্দা সাগর হোসেন বলেন, সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় এলাকার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। হঠাৎ কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার মতো পরিস্থিতিও নেই।

প্রতিদিন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায়। তারা নিরাপদে বাড়ি না ফেরা পর্যন্ত অভিভাবকদের আতঙ্কে থাকতে হয়। তিনি টেকসই তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের অধিবাসী সাবেক সদস্য সেলিমুজ্জামান বলেন, সড়কটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম।

বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি রক্ষা করা না গেলে পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শিক্ষাব্যবস্থা মারাত্মক সংকটে পড়বে।

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবর্তী মিস্ত্রী বলেন, বর্ষা কমে গেলে উপজেলা প্রশাসন সড়কটি সংস্কারে উদ্যোগ নেবে। তিনি বলেন, ‘সড়কটি দিয়ে চলাচলে মানুষের চরম দুর্ভোগের বিষয়টি আমার নজরে এসেছে।’

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category