বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন

জাল নোট ঠেকাতে কোরবানির হাটে ১০ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক । বিপিসি বাংলা
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৫ বার

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে দেশের অনুমোদিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে জাল নোটের অপতৎপরতা রোধে ১০ দফা নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব তফশিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিনসহ অভিজ্ঞ ক্যাশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হাট শুরুর দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্য বিনামূল্যে নোট যাচাই সেবা দিতে হবে। এ কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সমন্বয়কারীদের নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে বলা হয়েছে।

ঢাকার বাইরে যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস রয়েছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার অনুমোদিত পশুর হাটে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আঞ্চলিক অফিসের নেতৃত্বে একই ধরনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আর যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস নেই, সেখানে সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখাগুলো বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করবে। সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাটে স্থাপিত বুথে নোট কাউন্টিং মেশিনের মাধ্যমে নগদ অর্থ গণনার সুবিধাও রাখতে হবে। বুথ স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসন, ইজারাদার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বুথে নোট যাচাইয়ের সময় কোনো জাল নোট ধরা পড়লে বিদ্যমান পরিপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি বুথে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নাম উল্লেখ করে ‘জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ’ লেখা ব্যানার বা নোটিশ প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যসংবলিত ভিডিওচিত্র ঈদের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন ব্যাংকের শাখাগুলোতে গ্রাহকদের জন্য স্থাপিত টিভি মনিটরে প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা শেষে পরবর্তী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে গৃহীত কার্যক্রমের বিস্তারিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে বলেও নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category