২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়াল এবং মৃত্যুর তথ্য গোপনের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, ওই সময় সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিত ‘সমীকরণ’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় যে শাপলা চত্বরে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়ার পর দেখা গেছে, ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবুর সম্পৃক্ততা রয়েছে। প্রতিবেদনে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির একটি সাক্ষাৎকারও ব্যবহার করা হয়, যা ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়াল করতে ভূমিকা রেখেছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্ত অনুযায়ী এটি একটি পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা ছিল, যার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে এবং মৃত্যুর তথ্য গোপন করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে।
এ প্রেক্ষাপটে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাওয়া হয়েছে এবং ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৪ মে তিনজনকে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে পরবর্তী সময়ে তাদের আসামি করা হতে পারে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।
Leave a Reply