• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ‘এবি কিং’-এর অভিষেক, উঠল দেড় কোটি টাকার অনুদান জায়েদ খানের পাঠানো ১০ হাজার টাকা নিলেন না রিফাত চৌধুরী হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছ অবরোধের পর লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন ফের চালু নতুন যুদ্ধ হলে ভারত মহাসাগরেও মার্কিন জাহাজে হামলার হুমকি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রে নতুন জোড়া পান্ডা পাঠাল চীন পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১২ দুপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, বাড়তে পারে ঢাকার গরম রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও মালপত্র লুটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, স্থানীয় কয়েকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় প্রতিশোধ হিসেবে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা স্টুডিওর সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার সময় ঢাকায় ছিলেন না সালমান মুক্তাদির। খবর পেয়ে পরে তিনি ঘটনাস্থলে এসে স্টুডিও পরিদর্শন করেন। এরপর ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন। স্টুডিওর এক কর্মকর্তা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন হঠাৎ স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। এ সময় হামলাকারীদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, হামলাকারীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্টুডিওতে থাকা কর্মীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্টুডিওর বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়। এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরে একটি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ইসিবিতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর, আটক ২

বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের জনপ্রিয়তা ও তারকাখ্যাতি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে তার মা সুজান টরকোট বেছে নিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জীবন। তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের প্রত্যন্ত এলাকায় থেকে শিশুদের শিক্ষা ও সমাজসেবায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। একসময় লন্ডনে বসবাস করতেন সুজান। তবে ২০০৮ সালে সেই জীবন ছেড়ে তামিলনাড়ুতে চলে যান তিনি। গ্রামাঞ্চলের শিশুদের উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে সেখানে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে তোলেন। শুরুতে শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করত সংস্থাটি। এরপর ২০১৫ সালে সুজান প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাউন্টেন ভিউ স্কুল’। মাত্র ৩০ জনেরও কম শিশু নিয়ে স্কুলটির যাত্রা শুরু হয়। আশপাশের গ্রামের আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়াই ছিল এর অন্যতম লক্ষ্য। সময়ের সঙ্গে স্কুলটি বড় হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ৩০০-র বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। আট সন্তানকে একাই বড় করেছেন সুজান। মায়ের জীবনযাপন নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা জানিয়েছিলেন, তার মা মাদুরাইয়ে থাকেন এবং নিজেই স্কুলে শিক্ষকতা করেন। শিশুদের নিয়ে কাজ করেই তিনি সেখানে আনন্দে আছেন। তবে প্রত্যন্ত এলাকায় মায়ের জীবন যে সহজ নয়, সেটিও জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে দিনের প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। ফলে অনেক সময় মায়ের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলা সম্ভব হয় না। কখনো বিদ্যুৎ, আবার কখনো ইন্টারনেটের সমস্যার কারণে সাধারণ ফোনেই যোগাযোগ করতে হয়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও সুজানের সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগের নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেই বছরের পর বছর ধরে শিশুদের জন্য নিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই মায়ের সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে পরিচিত ক্যাটরিনা ও তার ভাইবোনেরা। বিভিন্ন দেশে থাকার সময় দারিদ্র্যের মধ্যে থাকা মানুষের জীবন কাছ থেকে দেখেছেন তারা। সেই অভিজ্ঞতাও তাদের বেড়ে ওঠায় প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন ক্যাটরিনা। মেয়ের তারকাখ্যাতির বিপরীতে সুজানের সাদামাটা জীবনযাপন তাই বরাবরই আলাদা করে নজর কাড়ে। বিলাসী জীবনের বদলে শিশুদের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গড়ার কাজকেই জীবনের বড় অংশ করে নিয়েছেন তিনি।

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের জনপ্রিয়তা ও তারকাখ্যাতি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে তার মা সুজান টরকোট বেছে নিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জীবন। তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের প্রত্যন্ত এলাকায় থেকে শিশুদের শিক্ষা ও সমাজসেবায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

একসময় লন্ডনে বসবাস করতেন সুজান। তবে ২০০৮ সালে সেই জীবন ছেড়ে তামিলনাড়ুতে চলে যান তিনি। গ্রামাঞ্চলের শিশুদের উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে সেখানে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে তোলেন। শুরুতে শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করত সংস্থাটি।

এরপর ২০১৫ সালে সুজান প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাউন্টেন ভিউ স্কুল’। মাত্র ৩০ জনেরও কম শিশু নিয়ে স্কুলটির যাত্রা শুরু হয়। আশপাশের গ্রামের আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়াই ছিল এর অন্যতম লক্ষ্য। সময়ের সঙ্গে স্কুলটি বড় হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ৩০০-র বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

আট সন্তানকে একাই বড় করেছেন সুজান। মায়ের জীবনযাপন নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা জানিয়েছিলেন, তার মা মাদুরাইয়ে থাকেন এবং নিজেই স্কুলে শিক্ষকতা করেন। শিশুদের নিয়ে কাজ করেই তিনি সেখানে আনন্দে আছেন।

তবে প্রত্যন্ত এলাকায় মায়ের জীবন যে সহজ নয়, সেটিও জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে দিনের প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। ফলে অনেক সময় মায়ের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলা সম্ভব হয় না। কখনো বিদ্যুৎ, আবার কখনো ইন্টারনেটের সমস্যার কারণে সাধারণ ফোনেই যোগাযোগ করতে হয়।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও সুজানের সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগের নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেই বছরের পর বছর ধরে শিশুদের জন্য নিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ছোটবেলা থেকেই মায়ের সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে পরিচিত ক্যাটরিনা ও তার ভাইবোনেরা। বিভিন্ন দেশে থাকার সময় দারিদ্র্যের মধ্যে থাকা মানুষের জীবন কাছ থেকে দেখেছেন তারা। সেই অভিজ্ঞতাও তাদের বেড়ে ওঠায় প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন ক্যাটরিনা।

মেয়ের তারকাখ্যাতির বিপরীতে সুজানের সাদামাটা জীবনযাপন তাই বরাবরই আলাদা করে নজর কাড়ে। বিলাসী জীবনের বদলে শিশুদের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গড়ার কাজকেই জীবনের বড় অংশ করে নিয়েছেন তিনি।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা