• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন হাফিজুল্লাহ খান দুর্যোগে পাশে থাকার অঙ্গীকার হাতিয়ার ৩০ স্বেচ্ছাসেবকের নোয়াখালীতে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষকের এক বিদ্যালয়ের ৫০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি গঠন টিম্বারকে বিশ্রাম, ইপ্সউইচের বিপক্ষে আর্সেনালের দারুণ জয় সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ পর্তুগালে শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্সে নতুন শর্ত পূর্ণিমার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, বয়স যেন শুধুই সংখ্যা

চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

নোয়াখালী প্রতিনিধি, গিয়াস রনি / ৪৩ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে আঘাতের কিছু চিহ্ন দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।

কারাগার সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই হাজতি বাহিরে পাবলিক এসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে দ্রুত তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category