সিলেটে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে পেট্রোল পাম্পে ভিড়, তেলের সংকট নেই
- আপডেট সময় : ১১:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
সিলেটে মধ্যপ্রাচ্য এলাকায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে এমন আশঙ্কায় হঠাৎ পেট্রোল ও অকটেনের চাহিদা বেড়ে গেছে। এর ফলে নগরীর বিভিন্ন পাম্পে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট মহানগরী ও জেলার পাম্পগুলোতে চালকদের তেল নিতে ভিড় ও তাড়াহুড়ো লক্ষ্য করা গেছে। আম্বরখানা, পাঠানটুলা, সোবহানীঘাট, চৌকিদেখি, তেমুখি ও চন্ডপুল এলাকার পাম্পগুলোতে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সারি মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।
পাম্পে আসা অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে দাম বাড়ার আশঙ্কায় তারা আগেভাগেই তেল সংগ্রহ করতে পাম্পে এসেছেন। রাইডশেয়ার চালক মিজান আহমদ বলেন, “মোটরসাইকেলে দুই লিটারের বেশি পেট্রোল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছে না। এতে আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে।”
গাড়িচালক সোহেল আহমদ বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম বাড়তে পারে শুনে আগেই কিছু তেল নিতে এসেছি, কিন্তু পাম্প থেকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হয়েছে।” চৌকিদেখি এলাকার মোটরসাইকেল চালক সুজন মিয়া বলেন, “ভিড়ের কারণে সামান্য অকটেন পেয়েছি, পরিমাণ কম হওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।”
তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী বলেন, “সিলেটের পাম্পগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো তেলের সংকট হয়নি। সব পাম্পে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ রয়েছে। অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুদ না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।”
সিলেট বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াসাদ আজিম আদনান বলেন, “মাসের মাঝামাঝি সময়ে তেলের দাম বাড়ার সুযোগ নেই। তবে সাপ্তাহিক ছুটির সময় ডিপো বন্ধ থাকায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করতে চাইছেন। এতে সাময়িক চাপ তৈরি হচ্ছে এবং কিছু পাম্পে রেশনিং করা হচ্ছে। তবে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই, নিয়মিত সরবরাহ বজায় রয়েছে।”



















