শাহজালাল মাজারে সারজিস আলমের স্লোগান, শুরু সমালোচনা
- আপডেট সময় : ১০:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে তারাবির নামাজ শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম-এর নেতৃত্বে দেওয়া এসব স্লোগান নিয়ে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাজার মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় শেষে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নামাজ শেষে উপস্থিত কিছু নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে মাজার প্রাঙ্গণে স্লোগান দেন সারজিস আলম। সে সময় সেখানে এনসিপির নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মুসল্লিরাও উপস্থিত ছিলেন। পরে ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
স্লোগান দেওয়ার সময় তিনি ‘ইনকিলাব-ইনকিলাব, জিন্দাবাদ-জিন্দাবাদ’, ‘নারায়ে তাকবির-আল্লাহু আকবার’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’, ‘আজাদি না গোলামি, আজাদি-আজাদি’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ-রাজপথ’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম-সংগ্রাম’, ‘জনতা না একতা, জনতা-জনতা’ এবং ‘দিয়েছিতো রক্ত আরও দেব রক্ত, সিলেট-সিলেট’—এ ধরনের স্লোগান দেন।
ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন নাহিদ ইসলাম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল করিম বলেন, সুলতানুল বাঙ্গাল হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের সময় অতীতে কোনো রাজনৈতিক দল দলীয় স্লোগান দিয়ে মাজার এলাকার আদব নষ্ট করেনি। তার মতে, জিয়ারতের নামে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া সুফি দরগার আদবের পরিপন্থী এবং এতে সিলেটবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই ধর্মীয় স্থানে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেও দেখছেন।



















