ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

কুষ্টিয়া-৪ নির্বাচনে বিএনপি ভাঙন: মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের ‘বেইমানি’ দায়ের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেনের কাছে হেরে যাওয়ায় দলের ভেতরের সমন্বয়হীনতা ও মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের ‘বেইমানি’ দায়ের অভিযোগ তুলেছেন কুমারখালী ও খোকসা বিএনপির কয়েকজন নেতা।

রোববার দুপুরে কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলী বলেন, “সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষের হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন। তিনি দুইবার এই আসনের এমপি ছিলেন এবং তার বাবা সৈয়দ মাছউদ রুমীও এমপি ছিলেন। তবে দলীয় কোন্দল, সমন্বয়হীনতা ও মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের বেইমানির কারণে তিনি সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছেন।”

নির্বাচনে আফজাল হোসেন ১,৪৮,২০১ ভোট পেয়ে জিতেছেন। রুমী পেয়েছেন ১,৩৯,৬০৩ ভোট। মনোনয়ন চেয়েছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী এবং কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক। সৈয়দ আমজাদ আলী অভিযোগ করেন, এই দুই নেতা ও তাদের সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের বিরোধিতা করে জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। তিনি এ কারণে সংশ্লিষ্ট নেতাদের দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও করেন।

অপর দিকে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, “সমন্বয়হীনতা ও অরাজনৈতিক ব্যবস্থাপনাই ধানের শীষের পরাজয়ের মূল কারণ। অভিযোগকারীরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এমন কথা বলছেন।” জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদীও দাবি করেন, “আমরা যদি ভোট না দিতাম, তাহলে ধানের শীষের জন্য এত ভোট কোথা থেকে আসে?”

ঘটনাটি কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপির ভেতরের ফাটল ও মনোনয়ন বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কুষ্টিয়া-৪ নির্বাচনে বিএনপি ভাঙন: মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের ‘বেইমানি’ দায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেনের কাছে হেরে যাওয়ায় দলের ভেতরের সমন্বয়হীনতা ও মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের ‘বেইমানি’ দায়ের অভিযোগ তুলেছেন কুমারখালী ও খোকসা বিএনপির কয়েকজন নেতা।

রোববার দুপুরে কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলী বলেন, “সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষের হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন। তিনি দুইবার এই আসনের এমপি ছিলেন এবং তার বাবা সৈয়দ মাছউদ রুমীও এমপি ছিলেন। তবে দলীয় কোন্দল, সমন্বয়হীনতা ও মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের বেইমানির কারণে তিনি সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছেন।”

নির্বাচনে আফজাল হোসেন ১,৪৮,২০১ ভোট পেয়ে জিতেছেন। রুমী পেয়েছেন ১,৩৯,৬০৩ ভোট। মনোনয়ন চেয়েছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী এবং কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক। সৈয়দ আমজাদ আলী অভিযোগ করেন, এই দুই নেতা ও তাদের সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের বিরোধিতা করে জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। তিনি এ কারণে সংশ্লিষ্ট নেতাদের দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও করেন।

অপর দিকে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, “সমন্বয়হীনতা ও অরাজনৈতিক ব্যবস্থাপনাই ধানের শীষের পরাজয়ের মূল কারণ। অভিযোগকারীরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এমন কথা বলছেন।” জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদীও দাবি করেন, “আমরা যদি ভোট না দিতাম, তাহলে ধানের শীষের জন্য এত ভোট কোথা থেকে আসে?”

ঘটনাটি কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপির ভেতরের ফাটল ও মনোনয়ন বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে।