নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সরকার গঠন করছে বিএনপি, সাত নারী প্রার্থী বিজয়ী
- আপডেট সময় : ০৫:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দীর্ঘ ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২৯৯টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় পেয়েছেন।
বিজয়ীদের মধ্যে বিএনপি থেকে ছয়জন নারী প্রার্থী বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন ফারহানা।
বিজয়ী নারী প্রার্থীরা হলেন—মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম রিতা, ঝালকাঠি-2 আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ আহমেদ, নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম রিতা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর মুহাম্মদ সাইদ নূর ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট পান।
ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর এস এম নেয়ামুল করিম ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট পান।
সিলেট-২ আসনে ‘গুম’ হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটভুক্ত খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট পান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা (হাঁস প্রতীক) ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ের জুনায়েদ আল হাবিবের চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পান।
এ ছাড়া নাটোর-১, ফরিদপুর-২ ও ফরিদপুর-৩ আসনেও বিএনপির নারী প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে ৩০০ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৮৪ জন, যা মোট প্রার্থীর প্রায় ৪ শতাংশ। দলীয়ভাবে প্রার্থী হয়েছেন ৬৬ জন নারী এবং স্বতন্ত্র ছিলেন ১৯ জন। একজন প্রার্থী ছিলেন হিজড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, নারী প্রার্থীদের ৭৫ শতাংশই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সী প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। পেশাগতভাবে প্রায় ৬৭ শতাংশ নারী প্রার্থী কর্মজীবী।



















