ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

যেকোনো সময় প্রাণহানির শঙ্কা কালিগঞ্জের ব্যস্ততম সড়কে মরা গাছের আতঙ্ক

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা থেকে নাজিমগঞ্জ ভায়া নুরনগর সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে চলাচলে সাধারণ মানুষের জীবন এখন হুমকির মুখে। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে জীবন হানি সহ বড় ধরনের দুর্ঘটনা। কারণ হিসেবে জানা  যায় রাস্তার ধারে লাগানো শত বছরের বৃক্ষ শিশু ফুল, কড়াই গাছগুলো পানি শূন্যতায় ছত্রাকে শুকিয়ে মারা গেছে। আর এই মরা গাছের শুকনা ডালগুলো পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। গাছগুলো অপসারণের দাবি জানিয়ে এলাকাবাসী বিভিন্ন সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করলেও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। ঝড়-বৃষ্টি বা বড় কোন দুর্যোগের সময় জীবনটা হাতে নিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে হয় এই সড়ক দিয়ে। তা না হলে মরা গাছের শুকনা ডাল পড়ে প্রতিনিয়ত পথচারী যানবাহনের উপরে পড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। এই ব্যস্ততম এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শতশত ছোট বড় যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তার দুই ধারে রয়েছে সারি সারি অসংখ্য বিদ্যুতের খুঁটি। অনেক সময় দেখা যায় গাছের ডাল পড়ে বিদ্যুতের তারের উপরে ঝুলতে। শুক্রবার  ফেব্রুয়ারি জুম্মার নামাজের সময় এক মুসল্লী মসজিদে নামাজ পড়ে বাহির হয়ে রাস্তায় দাঁড়ানো মাত্র  শিশু ফুলের বড় শুকনা ডাল হঠাৎ করে ভেঙে পড়ে মুসল্লিদের সামনে পড়লে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় তারা। ওই সময় বিকট শব্দে আশেপাশের লোকজন এবং পথচারীরা সহ মুসল্লিরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। অনেক সময় অন্ধকারে চলাচলের পথে এমন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে তাকে রক্ষা করার লোক পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে এমন আশঙ্কা জনমনে। তাছাড়াও এই রাস্তার পাশ দিয়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদ্রাসা। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। যেকোনো সময় ঝরে পড়তে পারে শিক্ষার্থীদের প্রাণ। এর আগে ও উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তাদের জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে উপজেলা বাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যেকোনো সময় প্রাণহানির শঙ্কা কালিগঞ্জের ব্যস্ততম সড়কে মরা গাছের আতঙ্ক

আপডেট সময় : ১০:১৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা থেকে নাজিমগঞ্জ ভায়া নুরনগর সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে চলাচলে সাধারণ মানুষের জীবন এখন হুমকির মুখে। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে জীবন হানি সহ বড় ধরনের দুর্ঘটনা। কারণ হিসেবে জানা  যায় রাস্তার ধারে লাগানো শত বছরের বৃক্ষ শিশু ফুল, কড়াই গাছগুলো পানি শূন্যতায় ছত্রাকে শুকিয়ে মারা গেছে। আর এই মরা গাছের শুকনা ডালগুলো পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। গাছগুলো অপসারণের দাবি জানিয়ে এলাকাবাসী বিভিন্ন সভা, সমাবেশ, মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করলেও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। ঝড়-বৃষ্টি বা বড় কোন দুর্যোগের সময় জীবনটা হাতে নিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে হয় এই সড়ক দিয়ে। তা না হলে মরা গাছের শুকনা ডাল পড়ে প্রতিনিয়ত পথচারী যানবাহনের উপরে পড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। এই ব্যস্ততম এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শতশত ছোট বড় যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তার দুই ধারে রয়েছে সারি সারি অসংখ্য বিদ্যুতের খুঁটি। অনেক সময় দেখা যায় গাছের ডাল পড়ে বিদ্যুতের তারের উপরে ঝুলতে। শুক্রবার  ফেব্রুয়ারি জুম্মার নামাজের সময় এক মুসল্লী মসজিদে নামাজ পড়ে বাহির হয়ে রাস্তায় দাঁড়ানো মাত্র  শিশু ফুলের বড় শুকনা ডাল হঠাৎ করে ভেঙে পড়ে মুসল্লিদের সামনে পড়লে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় তারা। ওই সময় বিকট শব্দে আশেপাশের লোকজন এবং পথচারীরা সহ মুসল্লিরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। অনেক সময় অন্ধকারে চলাচলের পথে এমন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে তাকে রক্ষা করার লোক পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে এমন আশঙ্কা জনমনে। তাছাড়াও এই রাস্তার পাশ দিয়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদ্রাসা। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। যেকোনো সময় ঝরে পড়তে পারে শিক্ষার্থীদের প্রাণ। এর আগে ও উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তাদের জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে উপজেলা বাসী।