শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ অন্তর্বর্তী সরকারের
- আপডেট সময় : ১২:১৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, সহিংসতার সঙ্গে জড়িত যেকোনো প্রাণহানি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং গভীরভাবে দুঃখজনক।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় বর্তমান পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ দেশের সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং তাদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। এতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণহানির কোনো স্থান নেই।
সরকার জানায়, শেরপুরের সংঘর্ষের ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ইতোমধ্যে শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। একই সঙ্গে জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সকল রাজনৈতিক দল, নেতা এবং সমর্থকদের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে এবং আইনের শাসনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে প্রত্যেক পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বানও জানানো হয়। সরকার মনে করে, জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সকল পক্ষের শান্তিপূর্ণ আচরণ, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর।
সবশেষে বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উল্লেখ্য, বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে একটি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই এ সংঘর্ষ হয়। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নিহত হন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন।



















