৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার ও ২ কোটি ৭১ লাখ লিটার সয়াবিন তেল আমদানি
- আপডেট সময় : ০১:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে
সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার এবং ২ কোটি ৭১ লাখ লিটারের বেশি সয়াবিন তেল ক্রয়ের পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ৩য় সভায়, যার সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে, পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির (ডিপিএম) মাধ্যমে কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস থেকে প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকায় ২ লাখ ৭১ হাজার ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল সংগ্রহের সুপারিশ করা হয়েছে। এতে প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৩১.৪৯ টাকা।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১তম লটের আওতায় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্রানুলার ইউরিয়া সার সংগ্রহের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যার প্রতি মেট্রিক টন সার হবে ৪০৫.২৫ মার্কিন ডলার।
উল্লেখযোগ্যভাবে, সভায় আরও কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফরিদপুর ও গাইবান্ধায় সার বাফার গুদাম নির্মাণ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য উচ্চগতির দুটি নৌযান ক্রয় এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক নিরাপত্তা ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রকল্প।
ফরিদপুরে ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি সার গুদাম নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, আর গাইবান্ধায় ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারন ক্ষমতার গুদাম নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য উচ্চ-গতির দুটি নৌযান ক্রয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
এই অনুমোদিত উদ্যোগগুলো দেশের কৃষি, জ্বালানি সরবরাহ এবং নৌ ও সড়ক যোগাযোগ খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।



















