যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরোধিতায় শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের বিক্ষোভ
- আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরোধিতায় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দেশটির বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শ্রমিক বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বর্ষপূর্তির দিনে এই বিক্ষোভ শুরু হয়, যা দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের এক মার্কিন নাগরিক নারীকে গাড়ি থেকে টেনে নামানো এবং ৩৭ বছর বয়সী রেনে গুডকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওয়াশিংটন ও নর্থ ক্যারোলিনার অ্যাশভিলের মতো শহরগুলোতেও শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা শহরের প্রধান প্রধান রাস্তাগুলো প্রদক্ষিণ করে ‘নো আইসিই, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দেন।
ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসরত লাখ লাখ অভিবাসীকে বহিষ্কারের বিষয়ে ভোটারদের কাছ থেকে তারা ম্যান্ডেট পেয়েছে। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ আমেরিকান নাগরিক ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ও অন্যান্য ফেডারেল সংস্থার কর্মকর্তাদের শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন।
ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘নো হেইট, নো ফিয়ার, রিফিউজিস আর ওয়েলকাম হিয়ার’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একই সময়ে নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফেতে হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ছেড়ে রাজ্য ক্যাপিটলে আয়োজিত ‘স্টপ আইসিই টেরর’ সমাবেশে যোগ দেন।
ইন্ডিভিজিবল ও ৫০৫০১-এর মতো বামপন্থী সংগঠন, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং তৃণমূল সংগঠনগুলোও এসব কর্মসূচি আয়োজন করেছে। তারা অভিবাসী আটক কেন্দ্রের বিরোধিতা করছে। বিশেষ করে টেক্সাসের এল পাসোর একটি কেন্দ্রে গত ছয় সপ্তাহে তিন অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।
বিক্ষোভের সুরে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমাঞ্চলের সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটলসহ অন্যান্য বড় শহরেও এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং আটক কেন্দ্রের বিতর্কিত কার্যক্রমই এই ঢেউয়ের মূল কারণ।























