ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ, দুই সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা
- আপডেট সময় : ০১:০১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় খুচরা ও পাইকারি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্তে নতুন করে আমদানির অনুমতি বা আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) বন্ধ থাকায় গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম অন্তত ২০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বরের পর ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আর কোনো পেঁয়াজবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। সর্বশেষ ওই দিন মাত্র ১১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। নতুন করে আইপি ইস্যু না হওয়ায় আমদানিকারকরা ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছেন না। এর ফলে বন্দরকেন্দ্রিক পেঁয়াজ আমদানি কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও যে পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে তা ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ সংকটের সুযোগে অনেক বিক্রেতা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকছেন। যদিও নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে, তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দামের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ছে না।
ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানিকারক গণেশ চন্দ্র বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজ দেশের পাইকারি বাজারের বড় একটি অংশের চাহিদা পূরণ করে। আমদানি বন্ধ থাকলে বাজার স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে পাইকারি বাজারে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে রমজানের আগেই পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৮০ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
অপর আমদানিকারক তপন বিশ্বাস জানান, পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন জারি না হলেও মৌখিকভাবে তাদের জানানো হয়েছে যে আপাতত নতুন করে আইপি ইস্যু বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
এ বিষয়ে ভোমরা কাস্টম কমিশনার মুসফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে নতুন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তবে যেসব আমদানিকারক আগে অনুমতি নিয়েছিলেন, তারা আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন।



















