মহম্মদপুরে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, দুই যুবক গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার বড়রিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারীর জনতা জুট মিলে ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তিনি মহম্মদপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাকে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা ওই নারীকে একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তিনি বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
এরপর মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী নারী মহম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীনকে (২২) গ্রেপ্তার করে।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে সানি ও স্বাধীন নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি তালিকায় দেখা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবক—মিজান মাহমুদ সানি ও নাফিস আহমেদ স্বাধীন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহম্মদপুর উপজেলা কমিটির সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন।
এ প্রসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মাগুরা জেলা শাখার আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার সেলিম বলেন, যে কমিটিতে তাদের নাম ছিল, সেটি ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় বাতিল করা হয়। বর্তমানে ওই কমিটির কোনো বৈধতা নেই বলে তিনি দাবি করেন।



















