আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড মামলায় তৎকালীন উপাচার্য ও প্রক্টরের জড়িত থাকার তথ্য উঠে আসছে
- আপডেট সময় : ০২:৩৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের নাম উঠে এসেছে। সোমবার মামলার তৃতীয় দিনে জবানবন্দি দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন।
জবানবন্দিতে রুহুল আমিন জানিয়েছেন, আন্দোলনের সময় নিরীহ ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন উপাচার্য হাসিবুর রশীদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এছাড়া, তৎকালীন রংপুরের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ছাত্র-জনতাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামও অন্য আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তদন্তে বলা হয়েছে, আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় উসকানি দিয়েছেন ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। এছাড়া গত বছরের ১১ জুলাই তিনি আবু সাঈদকে শারীরিকভাবে আঘাতও করেছিলেন।
পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়ও আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ছয় আসামি গ্রেফতার আছেন, যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রক্টরও রয়েছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা ও সরাসরি সহযোগিতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মামলা চলমান রয়েছে।



















