ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড মামলায় তৎকালীন উপাচার্য ও প্রক্টরের জড়িত থাকার তথ্য উঠে আসছে

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের নাম উঠে এসেছে। সোমবার মামলার তৃতীয় দিনে জবানবন্দি দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন।

জবানবন্দিতে রুহুল আমিন জানিয়েছেন, আন্দোলনের সময় নিরীহ ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন উপাচার্য হাসিবুর রশীদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এছাড়া, তৎকালীন রংপুরের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ছাত্র-জনতাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামও অন্য আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তদন্তে বলা হয়েছে, আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় উসকানি দিয়েছেন ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। এছাড়া গত বছরের ১১ জুলাই তিনি আবু সাঈদকে শারীরিকভাবে আঘাতও করেছিলেন।

পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়ও আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ছয় আসামি গ্রেফতার আছেন, যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রক্টরও রয়েছেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা ও সরাসরি সহযোগিতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মামলা চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড মামলায় তৎকালীন উপাচার্য ও প্রক্টরের জড়িত থাকার তথ্য উঠে আসছে

আপডেট সময় : ০২:৩৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের নাম উঠে এসেছে। সোমবার মামলার তৃতীয় দিনে জবানবন্দি দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন।

জবানবন্দিতে রুহুল আমিন জানিয়েছেন, আন্দোলনের সময় নিরীহ ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন উপাচার্য হাসিবুর রশীদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এছাড়া, তৎকালীন রংপুরের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ছাত্র-জনতাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামও অন্য আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তদন্তে বলা হয়েছে, আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় উসকানি দিয়েছেন ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। এছাড়া গত বছরের ১১ জুলাই তিনি আবু সাঈদকে শারীরিকভাবে আঘাতও করেছিলেন।

পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়ও আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ছয় আসামি গ্রেফতার আছেন, যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রক্টরও রয়েছেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা ও সরাসরি সহযোগিতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মামলা চলমান রয়েছে।