ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

‘ভারত বাংলাদেশে কুদৃষ্টি দিলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে—এমন মন্তব্যকে ঘিরে। পাকিস্তানের একটি সামরিক ও কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রকাশিত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, যদি ভারত বাংলাদেশের দিকে কোনো ধরনের আগ্রাসী দৃষ্টিভঙ্গি বা পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পাকিস্তান তার মিত্র বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত থাকবে, এমনকি প্রয়োজনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অধিকার রাখে, আর সে ক্ষেত্রে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধেই অবস্থান নেবে ইসলামাবাদ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, এই বার্তা মূলত প্রতিরোধমূলক সতর্কতা, কোনো যুদ্ধের আহ্বান নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মধ্যে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ যুক্ত হওয়া কূটনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই নীতিই প্রাধান্য পায়। ফলে তৃতীয় কোনো দেশের এমন বক্তব্য ঢাকার জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

এদিকে ভারতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ সরকারও এখন পর্যন্ত এই মন্তব্য নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান জানায়নি। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এমন বক্তব্যের পর আঞ্চলিক সংলাপ ও দায়িত্বশীল ভাষা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে, যাতে দক্ষিণ এশিয়ায় অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়ানো যায় এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘ভারত বাংলাদেশে কুদৃষ্টি দিলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে—এমন মন্তব্যকে ঘিরে। পাকিস্তানের একটি সামরিক ও কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রকাশিত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, যদি ভারত বাংলাদেশের দিকে কোনো ধরনের আগ্রাসী দৃষ্টিভঙ্গি বা পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পাকিস্তান তার মিত্র বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত থাকবে, এমনকি প্রয়োজনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অধিকার রাখে, আর সে ক্ষেত্রে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধেই অবস্থান নেবে ইসলামাবাদ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, এই বার্তা মূলত প্রতিরোধমূলক সতর্কতা, কোনো যুদ্ধের আহ্বান নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মধ্যে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ যুক্ত হওয়া কূটনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই নীতিই প্রাধান্য পায়। ফলে তৃতীয় কোনো দেশের এমন বক্তব্য ঢাকার জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

এদিকে ভারতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ সরকারও এখন পর্যন্ত এই মন্তব্য নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান জানায়নি। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এমন বক্তব্যের পর আঞ্চলিক সংলাপ ও দায়িত্বশীল ভাষা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে, যাতে দক্ষিণ এশিয়ায় অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়ানো যায় এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।