এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী এলডিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন
- আপডেট সময় : ০৪:০৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ — লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)‑র প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বীর বিক্রম আজ (মঙ্গলবার) দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন। তিনি এক লিখিত ঘোষণায় জানিয়েছেন যে, গত ২০ ডিসেম্বর তাকে এলডিপি‑র মহাসচিবের স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে সাময়িকভাবে দলের সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়, যা তিনি দলের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি ও অগণতান্ত্রিক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ঘোষণায় সারওয়ার্দী বলেন, বহিষ্কারের আদেশটি সরাসরি মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে কিন্তু এই চিঠি তাকে কখনোই ব্যক্তিগতভাবে প্রদান করা হয়নি, যা ‘স্বৈরাচারী’ ও ‘অগণতান্ত্রিক’ প্রক্রিয়া বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি যোগ করেন, এর ফলে তার ব্যক্তিগত সম্মান ও মর্যাদা এবং দলের ভাবমূর্তির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, দলের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অভাব অনুভূত হয়েছে, এবং প্রথম থেকেই তিনি দলীয় সভাপতির কাছ থেকে কোনো লিখিত নির্দেশ বা সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেছিলেন। সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তার ধৈর্যের সীমা ভেঙেছে এবং তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে এই সংগঠনে থাকা আর যৌক্তিক নয়। তিনি তার পদত্যাগ পত্র ২৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে কার্যকর করার জন্য দলের নেতৃত্বের কাছে অনুরোধ পাঠিয়েছেন।
এলডিপি‑র পক্ষ থেকে গত ২০ ডিসেম্বর তার সাময়িক বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়, দলের মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিনি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন এবং পার্টি‑র গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছেন। সারওয়ার্দীকে কারণ দর্শানোর জন্য তিন দিনের সময় বাতিল করা হয়েছিল।
চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল এবং একজন উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি আগে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান পালন করেছেন এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে এলডিপি‑তে যোগ দিয়েছিলেন।
এ পদত্যাগ রাজনৈতিক মহল ও দলটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা উস্কে দিয়েছে, বিশেষ করে এলডিপি‑র নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত‑প্রক্রিয়া সম্পর্কে।



















