ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

“শাহবাগে হাদির স্মৃতিস্তম্ভ চাই পরিবার, প্রতিবাদের চেতনা অমর রাখতে চাই”

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১২:১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৮৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শাহবাগ– যে জায়গা থেকে রাজপথের লড়াইয়ে উঠে এসেছিলেন তরুণ আন্দোলনকারী হাদি—আজ সেই শাহবাগেই তাঁর স্মৃতি ধরে রাখতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে পরিবার। হাদির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভের আবহে এই দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শাহবাগ শুধু একটি মোড় নয়, এটি হাদির রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনার জন্মস্থান। এখান থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আন্দোলনে যুক্ত হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষের কাছে।

হাদির পরিবার বলছে, “শাহবাগে দাঁড়িয়েই হাদি স্বপ্ন দেখেছিল একটি ন্যায্য সমাজের। আজ সে নেই, কিন্তু তার স্বপ্ন ও আত্মত্যাগ যেন ভুলে না যায় কেউ—সেই জন্যই এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ প্রয়োজন।”

এদিকে হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলাদা কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানায়।

শাহবাগ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ ফুল দিয়ে অস্থায়ীভাবে স্মরণ করছে হাদিকে। অনেকেই স্মৃতিস্তম্ভের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, এটি শুধু একজন ব্যক্তির স্মৃতি নয়, বরং একটি প্রজন্মের প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে থাকবে।

তবে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

হাদির পরিবার আশা প্রকাশ করেছে, দ্রুতই সরকার ও সিটি করপোরেশন উদ্যোগ নেবে এবং শাহবাগে একটি স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে উঠবে—যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রতিবাদ, সাহস ও মানবিকতার গল্প শোনাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

“শাহবাগে হাদির স্মৃতিস্তম্ভ চাই পরিবার, প্রতিবাদের চেতনা অমর রাখতে চাই”

আপডেট সময় : ১২:১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

শাহবাগ– যে জায়গা থেকে রাজপথের লড়াইয়ে উঠে এসেছিলেন তরুণ আন্দোলনকারী হাদি—আজ সেই শাহবাগেই তাঁর স্মৃতি ধরে রাখতে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে পরিবার। হাদির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভের আবহে এই দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শাহবাগ শুধু একটি মোড় নয়, এটি হাদির রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনার জন্মস্থান। এখান থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আন্দোলনে যুক্ত হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষের কাছে।

হাদির পরিবার বলছে, “শাহবাগে দাঁড়িয়েই হাদি স্বপ্ন দেখেছিল একটি ন্যায্য সমাজের। আজ সে নেই, কিন্তু তার স্বপ্ন ও আত্মত্যাগ যেন ভুলে না যায় কেউ—সেই জন্যই এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ প্রয়োজন।”

এদিকে হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলাদা কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানায়।

শাহবাগ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ ফুল দিয়ে অস্থায়ীভাবে স্মরণ করছে হাদিকে। অনেকেই স্মৃতিস্তম্ভের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, এটি শুধু একজন ব্যক্তির স্মৃতি নয়, বরং একটি প্রজন্মের প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে থাকবে।

তবে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

হাদির পরিবার আশা প্রকাশ করেছে, দ্রুতই সরকার ও সিটি করপোরেশন উদ্যোগ নেবে এবং শাহবাগে একটি স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে উঠবে—যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রতিবাদ, সাহস ও মানবিকতার গল্প শোনাবে।