ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

ব্যাগেজ নিরাপত্তা জোরদারে বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে বডি ক্যামেরা

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য বডি ক্যামেরা সংযোজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ উদ্যোগের ফলে ব্যাগেজ তল্লাশি, হ্যান্ডলিং ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিটি ধাপ ভিডিও রেকর্ডের আওতায় আসবে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাগেজ চুরি, জিনিসপত্র হারিয়ে যাওয়া এবং তল্লাশির সময় হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এসব অভিযোগ যাচাই এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অংশ হিসেবে বডি ক্যামেরা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই বডি ক্যামেরাগুলো ব্যাগেজ স্ক্যানিং, তল্লাশি ও স্থানান্তরের সময় নিরাপত্তা কর্মীদের পোশাকে সংযুক্ত থাকবে। রেকর্ডকৃত ফুটেজ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কোনো অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত তদন্ত করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মীদের দায়িত্ব পালনে আরও সতর্ক ও পেশাদার হতে উৎসাহিত করবে এই ব্যবস্থা।

প্রাথমিকভাবে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) বডি ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করা হবে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে সব অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক বিমানবন্দরে এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাত্রীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। শুধুমাত্র নিরাপত্তা ও তদন্তের প্রয়োজনে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষই এসব ভিডিও ফুটেজ দেখার অনুমতি পাবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ যাত্রীদের আস্থা বাড়াবে এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্যাগেজ নিরাপত্তা জোরদারে বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে বডি ক্যামেরা

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য বডি ক্যামেরা সংযোজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ উদ্যোগের ফলে ব্যাগেজ তল্লাশি, হ্যান্ডলিং ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিটি ধাপ ভিডিও রেকর্ডের আওতায় আসবে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাগেজ চুরি, জিনিসপত্র হারিয়ে যাওয়া এবং তল্লাশির সময় হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এসব অভিযোগ যাচাই এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অংশ হিসেবে বডি ক্যামেরা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই বডি ক্যামেরাগুলো ব্যাগেজ স্ক্যানিং, তল্লাশি ও স্থানান্তরের সময় নিরাপত্তা কর্মীদের পোশাকে সংযুক্ত থাকবে। রেকর্ডকৃত ফুটেজ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কোনো অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত তদন্ত করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মীদের দায়িত্ব পালনে আরও সতর্ক ও পেশাদার হতে উৎসাহিত করবে এই ব্যবস্থা।

প্রাথমিকভাবে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) বডি ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করা হবে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে সব অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক বিমানবন্দরে এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাত্রীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। শুধুমাত্র নিরাপত্তা ও তদন্তের প্রয়োজনে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষই এসব ভিডিও ফুটেজ দেখার অনুমতি পাবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ যাত্রীদের আস্থা বাড়াবে এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।