ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

গলায় গামছার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত খুন? কালীগঞ্জে ফাঁসল স্বামীর মুখোশ

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পারিবারিক কলহের কলহের জের ধরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার নাটক? গলায় ফাঁসে নিহত মোমেনা বেগম(৫০) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার নলতা ইউনিয়নের বেজেরাটি গ্রামের মইনুদ্দিনের স্ত্রী এবং দেবহাটা থানার হাদিপুর/জগন্নাথপুর গ্রামের নুর আলী কারিকরের কন্যা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বেজেরাটি গ্রামে। খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ জুয়েল আহমেদ এবং থানার উপ পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে। ওই সময় পুলিশ নিহতের স্বামী মঈনুদ্দিন এবং তার পুত্র মোখলেসুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের ভাই আব্দুল আজিজ সাংবাদিকদের জানান তার ভগ্নিপতি মাইনুদ্দীনের সঙ্গে বোন মোমনা খাতুনের দীর্ঘদিন পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। যে কারণে তার ছেলে , বউ অন্য জায়গায় বসবাস করত। মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে স্বামী মইনুদ্দিন বাজার থেকে মাছ, শাকসবজি কিনে বাসায় নিয়ে এসে দু,জনের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে নলতা বাজারে ভাই ভাই হার্ডওয়্যারের দোকানে চলে যায়। বেলা ১টার দিকে নিহত মোমেনা খাতুনের ভাই আব্দুল আজিজ ফোন করলে না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। তখন বাজার থেকে তার ভগ্নিপতি মইনুদ্দীনকে সাথে বাড়ি এসে হাতুড়ি দিয়ে ঘরের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে মেঝেতে মোমেনার লাশ দেখতে পায়। তবে বিষয়টি নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্যে মইনুদ্দিন জানায় সে সকালে বাজার করে দিয়ে দোকানে চলে যায়। তার শালার ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে তালা ভেঙে ঘরের ভিতর গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া স্ত্রীর লাশ মেঝেতে দেখতে পায়। এলাকাবাসীর ধারনা মইনুদ্দিন তার স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে দোকানে চলে যায়। পরবর্তীতে স্ত্রীর আত্মহত্যা করেছে বলে চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গলায় গামছার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত খুন? কালীগঞ্জে ফাঁসল স্বামীর মুখোশ

আপডেট সময় : ১০:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

পারিবারিক কলহের কলহের জের ধরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার নাটক? গলায় ফাঁসে নিহত মোমেনা বেগম(৫০) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার নলতা ইউনিয়নের বেজেরাটি গ্রামের মইনুদ্দিনের স্ত্রী এবং দেবহাটা থানার হাদিপুর/জগন্নাথপুর গ্রামের নুর আলী কারিকরের কন্যা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বেজেরাটি গ্রামে। খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ জুয়েল আহমেদ এবং থানার উপ পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে। ওই সময় পুলিশ নিহতের স্বামী মঈনুদ্দিন এবং তার পুত্র মোখলেসুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের ভাই আব্দুল আজিজ সাংবাদিকদের জানান তার ভগ্নিপতি মাইনুদ্দীনের সঙ্গে বোন মোমনা খাতুনের দীর্ঘদিন পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। যে কারণে তার ছেলে , বউ অন্য জায়গায় বসবাস করত। মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে স্বামী মইনুদ্দিন বাজার থেকে মাছ, শাকসবজি কিনে বাসায় নিয়ে এসে দু,জনের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে নলতা বাজারে ভাই ভাই হার্ডওয়্যারের দোকানে চলে যায়। বেলা ১টার দিকে নিহত মোমেনা খাতুনের ভাই আব্দুল আজিজ ফোন করলে না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। তখন বাজার থেকে তার ভগ্নিপতি মইনুদ্দীনকে সাথে বাড়ি এসে হাতুড়ি দিয়ে ঘরের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে মেঝেতে মোমেনার লাশ দেখতে পায়। তবে বিষয়টি নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্যে মইনুদ্দিন জানায় সে সকালে বাজার করে দিয়ে দোকানে চলে যায়। তার শালার ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে তালা ভেঙে ঘরের ভিতর গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া স্ত্রীর লাশ মেঝেতে দেখতে পায়। এলাকাবাসীর ধারনা মইনুদ্দিন তার স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে দোকানে চলে যায়। পরবর্তীতে স্ত্রীর আত্মহত্যা করেছে বলে চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।