ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীর দখলে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, শুধু প্রশাসন-পুলিশই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে জামায়াতের পুরোপুরি আধিপত্য রয়েছে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন রুমিন ফারহানা।

বলেন, শাহজাহান চৌধুরী দুই দিন আগে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন, তার কথায় চন্দ্র-সূর্য সব কিছু থেমে যায়। তিনি বলেছেন— ‘তাকে না চিনলে চিনে রাখতে।’ তিনিসহ জামায়াতের বেশ কয়েকজনকে আমরা এ কথাও বলতে শুনেছি— ‘আমরা বললে মামলা নেবে, আমরা বললে মামলা থেকে অব্যাহতি দেবে। আমরা বললে গ্রেপ্তার করবে, আমরা বললে ছেড়ে দেবে।

আমাদের কথায় পুলিশ উঠবে-বসবে।’ সেটা বলার একপর্যায়ে তিনি (শাহজাহান) জামায়াত আমিরকেও খুঁজছিলেন। উনি কোথায়, ওনাকে সামনে রেখে সাক্ষী মেনে এ কথাগুলো বলতে চাইছেন। আমরা যদি এগুলো দেখি, তাহলে বুঝতে অসুবিধা হয় না, কী পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে।

তিনি আরো বলেন, ‘আজকাল যে আচরণগুলো আমরা লক্ষ্য করি, অনলাইন-অফলাইন সর্বত্রই। মিডিয়া ও মিডিয়ার বাইরে, মাঠের রাজনীতিতে কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে। ঠিক যে রকম এরোগেন্সি গত ১৫ বছর দেখেছি, সেটা আমরা কিছু দলের ভেতরে নির্বাচনের আগেই ১৫ মাসেই দেখতে পাচ্ছি।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, নির্বাচন শুধু পুলিশ বা প্রশাসন দিয়ে হবে না। এখানে সরকারের সদিচ্ছার ব্যাপার আছে।

সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটার ও সমর্থকদের ব্যাপার আছে। সব কিছু বিবেচনায় নিলে শুধু পুলিশ বা প্রশাসন দিয়ে হবে না। পুলিশ বা প্রশাসন কিভাবে কাজ করবে, সেটা নির্ধারণ করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন সেটা কতটুকু নিরপেক্ষভাবে বা শক্তভাবে করতে পারবে, সেটা একটা প্রশ্ন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে : রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ১২:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীর দখলে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, শুধু প্রশাসন-পুলিশই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংকসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে জামায়াতের পুরোপুরি আধিপত্য রয়েছে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন রুমিন ফারহানা।

বলেন, শাহজাহান চৌধুরী দুই দিন আগে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন, তার কথায় চন্দ্র-সূর্য সব কিছু থেমে যায়। তিনি বলেছেন— ‘তাকে না চিনলে চিনে রাখতে।’ তিনিসহ জামায়াতের বেশ কয়েকজনকে আমরা এ কথাও বলতে শুনেছি— ‘আমরা বললে মামলা নেবে, আমরা বললে মামলা থেকে অব্যাহতি দেবে। আমরা বললে গ্রেপ্তার করবে, আমরা বললে ছেড়ে দেবে।

আমাদের কথায় পুলিশ উঠবে-বসবে।’ সেটা বলার একপর্যায়ে তিনি (শাহজাহান) জামায়াত আমিরকেও খুঁজছিলেন। উনি কোথায়, ওনাকে সামনে রেখে সাক্ষী মেনে এ কথাগুলো বলতে চাইছেন। আমরা যদি এগুলো দেখি, তাহলে বুঝতে অসুবিধা হয় না, কী পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে।

তিনি আরো বলেন, ‘আজকাল যে আচরণগুলো আমরা লক্ষ্য করি, অনলাইন-অফলাইন সর্বত্রই। মিডিয়া ও মিডিয়ার বাইরে, মাঠের রাজনীতিতে কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে। ঠিক যে রকম এরোগেন্সি গত ১৫ বছর দেখেছি, সেটা আমরা কিছু দলের ভেতরে নির্বাচনের আগেই ১৫ মাসেই দেখতে পাচ্ছি।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, নির্বাচন শুধু পুলিশ বা প্রশাসন দিয়ে হবে না। এখানে সরকারের সদিচ্ছার ব্যাপার আছে।

সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটার ও সমর্থকদের ব্যাপার আছে। সব কিছু বিবেচনায় নিলে শুধু পুলিশ বা প্রশাসন দিয়ে হবে না। পুলিশ বা প্রশাসন কিভাবে কাজ করবে, সেটা নির্ধারণ করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন সেটা কতটুকু নিরপেক্ষভাবে বা শক্তভাবে করতে পারবে, সেটা একটা প্রশ্ন।