ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশবিরোধী বিক্ষোভ এবং বয়কটের ডাক

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি ও ওপার বাংলার কিছু নেতার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশবিরোধী বিক্ষোভ এবং বয়কট অব্যাহত রয়েছে। শিলিগুড়ি, মালদা, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

শিলিগুড়ি হোটেল মালিকদের সংগঠন গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেল ইয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা করেছে, এখন থেকে বাংলাদেশি পর্যটক বা ভিসাধারী কোনো ব্যক্তিকে শিলিগুড়ির কোনো হোটেলে আবাসন দেওয়া হবে না। সংগঠনটির সম্পাদক উজ্জল ঘোষ জানিয়েছেন, “মানবিক কারণে আগে মেডিকেল এবং স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের কিছু ছাড় দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি এবং কিছু ওপার বাংলা নেতার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সব ধরনের অবস্থান বন্ধ রাখা হবে। ব্যবসার চেয়ে দেশ আমাদের কাছে প্রাধান্য পাচ্ছে।”

এছাড়া শিলিগুড়ি, মালদা, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প, দোকান ও যানবাহনে বাংলাদেশ বয়কটের পোস্টার এবং স্টিকার লাগানো হয়েছে। অনেক যানবাহন চালকও বাংলাদেশি নাগরিকদের সেবা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার সাময়িকভাবে বাংলাদেশে সব ধরনের ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পূর্বের ভিসাধারী বা নতুন আগমনের ক্ষেত্রেও এই বিধিনিষেধ কার্যকর হচ্ছে। শিলিগুড়ি ও অন্যান্য অঞ্চলে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোও এই বিক্ষোভের মধ্যে আছে; বিশেষ করে শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংক বন্ধ করার দাবি জানিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলো বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

উত্তরবঙ্গের এই কঠোর পদক্ষেপ সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ব্যবসায়িক স্বার্থের চেয়ে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অবস্থানকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশবিরোধী বিক্ষোভ এবং বয়কটের ডাক

আপডেট সময় : ০২:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি ও ওপার বাংলার কিছু নেতার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশবিরোধী বিক্ষোভ এবং বয়কট অব্যাহত রয়েছে। শিলিগুড়ি, মালদা, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

শিলিগুড়ি হোটেল মালিকদের সংগঠন গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেল ইয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা করেছে, এখন থেকে বাংলাদেশি পর্যটক বা ভিসাধারী কোনো ব্যক্তিকে শিলিগুড়ির কোনো হোটেলে আবাসন দেওয়া হবে না। সংগঠনটির সম্পাদক উজ্জল ঘোষ জানিয়েছেন, “মানবিক কারণে আগে মেডিকেল এবং স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের কিছু ছাড় দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি এবং কিছু ওপার বাংলা নেতার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সব ধরনের অবস্থান বন্ধ রাখা হবে। ব্যবসার চেয়ে দেশ আমাদের কাছে প্রাধান্য পাচ্ছে।”

এছাড়া শিলিগুড়ি, মালদা, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প, দোকান ও যানবাহনে বাংলাদেশ বয়কটের পোস্টার এবং স্টিকার লাগানো হয়েছে। অনেক যানবাহন চালকও বাংলাদেশি নাগরিকদের সেবা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার সাময়িকভাবে বাংলাদেশে সব ধরনের ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পূর্বের ভিসাধারী বা নতুন আগমনের ক্ষেত্রেও এই বিধিনিষেধ কার্যকর হচ্ছে। শিলিগুড়ি ও অন্যান্য অঞ্চলে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোও এই বিক্ষোভের মধ্যে আছে; বিশেষ করে শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংক বন্ধ করার দাবি জানিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলো বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

উত্তরবঙ্গের এই কঠোর পদক্ষেপ সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ব্যবসায়িক স্বার্থের চেয়ে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অবস্থানকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।