ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক সপ্তাহে শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার আশা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টঙ্গীতে প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে কৃত্রিম পা ও চাকরির সুযোগ নোয়াখালী কলেজে শিক্ষক হেনস্তা নিয়ে মানববন্ধন ও উত্তেজনা নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে ড্রোন প্রযুক্তি উন্মোচন করল নাইজেরিয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার পাকুন্দিয়ায় প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর পর ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ১৫ গ্রাম বাড্ডায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে দুইজন দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার, নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি ও এসপি একসঙ্গে দায়িত্বে

পবিত্র মসজিদে নববীর ২৫ বছরের মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান আর নেই

অনলাইন ডেস্ক । বাংলাপত্রিকা চ্যানেল
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মদিনা, সৌদি আরব থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদ— পবিত্র মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে। তিনি দীর্ঘদিন—প্রায় ২৫ বছর—বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলা সুমধুর আজান দিতে পবিত্র মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন ।

সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক মাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তিতে মরহুমের মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছে। এসেছিল ফজরের নামাজের পর মসজিদে নববীতে তার জানাজা আদায় করা হয় এবং পরে তাকে ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে সার্বজনীন সম্মান ও ইসলামিক রীতি অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে।

শেখ ফয়সাল নোমান ১৪২২ হিজরিতে (২০০১ খ্রিস্টাব্দ) মুয়াজ্জিন হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি বংশ পরম্পরায় এই মহান দায়িত্ব পালন করেছিলেন—তার দাদা মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন ছিলেন এবং পরবর্তীতে তার পিতাও ১৪ বছর বয়স থেকেই একই সম্মানিত পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

বিশ্বজুড়ে মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও ধার্মিক সম্প্রদায়ের সদস্যরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। অনেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করছেন এবং তার আজানের মর্মস্পর্শী ধ্বনি সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেই মন্তব্য করছেন।মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন  ১৪২২ হিজরি থেকে ১৪৪৭ হিজরি (২০০১ থেকে ২০২৫) পর্যন্ত প্রায় ২৫ বছর।

মার্ত্যলে থাকাকালীন তিনি তার সুমধুর আজান ও দ্বীনি নিষ্ঠার জন্য বিশ্বজুড়ে লাখো মুসলিমের হৃদয়ে এক অনন্য স্থান করে নিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ একজন নিবেদিতপ্রাণ খাদেমকে হারালো—একটি ক্ষতিপূরণঅযোগ্য হার হিসেবে সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পবিত্র মসজিদে নববীর ২৫ বছরের মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান আর নেই

আপডেট সময় : ১২:২৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

মদিনা, সৌদি আরব থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদ— পবিত্র মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে। তিনি দীর্ঘদিন—প্রায় ২৫ বছর—বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলা সুমধুর আজান দিতে পবিত্র মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন ।

সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক মাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তিতে মরহুমের মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছে। এসেছিল ফজরের নামাজের পর মসজিদে নববীতে তার জানাজা আদায় করা হয় এবং পরে তাকে ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে সার্বজনীন সম্মান ও ইসলামিক রীতি অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে।

শেখ ফয়সাল নোমান ১৪২২ হিজরিতে (২০০১ খ্রিস্টাব্দ) মুয়াজ্জিন হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি বংশ পরম্পরায় এই মহান দায়িত্ব পালন করেছিলেন—তার দাদা মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন ছিলেন এবং পরবর্তীতে তার পিতাও ১৪ বছর বয়স থেকেই একই সম্মানিত পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

বিশ্বজুড়ে মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও ধার্মিক সম্প্রদায়ের সদস্যরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। অনেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করছেন এবং তার আজানের মর্মস্পর্শী ধ্বনি সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেই মন্তব্য করছেন।মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন  ১৪২২ হিজরি থেকে ১৪৪৭ হিজরি (২০০১ থেকে ২০২৫) পর্যন্ত প্রায় ২৫ বছর।

মার্ত্যলে থাকাকালীন তিনি তার সুমধুর আজান ও দ্বীনি নিষ্ঠার জন্য বিশ্বজুড়ে লাখো মুসলিমের হৃদয়ে এক অনন্য স্থান করে নিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ একজন নিবেদিতপ্রাণ খাদেমকে হারালো—একটি ক্ষতিপূরণঅযোগ্য হার হিসেবে সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।